আধার কার্ড তৈরি করার নামে যুবতীকে উত্যক্ত করার অভিযোগ, কি হলো এ ঘটনা শেষে?
আধার কার্ড তৈরি করতে গিয়ে এক যুবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করল এক মহিলা। দেখা যাচ্ছে জানুয়ারি মাসে ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটার পরে অভিযুক্ত মহিলা রিজেন্ট পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করলেও এখনো পর্যন্ত অভিযোগ থেকে ধরতে পারিনি পুলিশ।
জানা যাচ্ছে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম সাদেক ইসলাম। অভিযোগ করেনি একটু বেসরকারি সংস্থার কর্মী ছিল। তাকে আধার কার্ড তৈরি করে নিয়ে অনেক মাস ধরেই বিরক্ত করছিলেন অভিযুক্ত।
মূল ঘটনা হলো, কলকাতার ৯৭ ওয়ার্ডের বাসিন্দা ওই মহিলা। তিনি তার মায়ের আধার কার্ড বানানোর জন্য খোঁজ করছিলেন কোথায় বানানো হয়। পাড়ার স্থানীয়দের অনেকের কাছেই সাদেক ইসলাম নামক ওই ব্যক্তির কথা মহিলা শোনেন। তারপর তার কাছে যাওয়ার পরই ওই ব্যক্তি মহিলাকে বিভিন্ন কুপ্রস্তাব দিয়ে থাকে। সে সমস্ত কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তি মহিলার বাড়ির সামনে এসে ভয় দেখিয়ে দিয়ে যায়। এমনকি “আরজিকর দেব” বলে মন্তব্য করে। এই ঘটনাটি ঘটেছিল গত ৭ই আগস্ট। ঘটনার পর থেকে প্রত্যেক দিন মহিলাকে উত্যক্ত করত অভিযুক্ত। এরপরে 2025 নভেম্বর মাসে রিজেন্ট পার্ক থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যক্তির নামে। কিন্তু এখন ফেব্রুয়ারি মাস হয়েছে হওয়ার পরেও অধরা রয়েছেন অভিযুক্ত। এমনকি অভিযোগকরণের বাড়ির আশেপাশ থেকে অভিযুক্তের দলের লোকজনকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে বলেও জানিয়েছেন অভিযোগকারিণী।
কলকাতার ৯৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিনা এই অভিযোগকারিণী। জানা গিয়েছে, তিনি তাঁর মায়ের আধার কার্ড বানাতে গিয়েছিলেন। এলাকায় আধার কার্ড বানানো নিয়ে খোঁজ করলে সাদিক ইসলামের নাম বলেন স্থানীয়দের অনেকেই। যুবতীর অভিযোগ, সাদিক ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে, তিনি আধার কার্ড বানিয়ে দেবেন বলেন প্রথম দিন। এরপর থেকেই কুপ্রস্তাব দেওয়া শুরু হয় বলে অভিযোগ যুবতীর। সাদিকের তরফে তাঁকে বিভিন্ন ফ্ল্যাটে, গেস্ট হাউসে যাওয়ার কথা বলা হয় বলে অভিযোগ জানিয়েছেন যুবতী। স্বভাবতই এ হেন কুপ্রস্তাবে রাজি হননি যুবতী। আর তার জেরে যুবতীর বাড়ির সামনে এলে অশালীন আচরণ, ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। এমনকি হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয় ‘আর জি কর করে দেব’ এই বলে।
অভিযোগকারীনি এটাও জানিয়েছেন যে প্রথমে থানায় সাদেক ইসলামের নামে অভিযোগ নিতে চাইছিলেন না কারণ তিনি তৃণমূল কর্মী ছিলেন বলে। পরে উকিল সঙ্গে নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন মহিলা। কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাস হয়ে গিয়েছে এখনো পর্যন্ত তাকে ধরা হয়নি। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের সম্পূর্ণটাই ভিত্তিহীন ও মিথ্যে বলে জানিয়েছেন অভিযুক্ত।
অন্যদিকে, কলকাতা ৯৭ ওয়ার্ডের বাসিন্দা মহিলা ও মহিলার মা সাদেক ইসলামের ভয়ে দিন ও রাত কাটাচ্ছেন বাড়িতে। তারা খুব শীঘ্রই চাইছেন পুলিশ যাতে সাদেক ইসলামকে ধরেন এবং উপযুক্ত শাস্তি দেন।
