অবসরের পর হাতে একসাথে পাবেন ১২ কোটি, কোথায় এবং কিভাবে বিনিয়োগ করবেন? জেনে নিন বিস্তারিত।
বর্তমান সময়ে শুধুমাত্র কোন চাকরি সংস্থান ব্যবসা থেকে উপার্জন করলেই আর সেই অর্থ সেভিংস করলে আপনি কোটিপতি হতে পারবেন না। শুধুমাত্র কোটিপতি নয়, কোন বড় কর্মকাণ্ড করতে হলে অর্থাৎ গাড়ি কেনা বা বাড়ি তৈরি করার জন্য শুধুমাত্র সেভিংস করলে চলে না। এর জন্য দরকার অর্থ উপার্জনের পাশাপাশি বিনিয়োগে অংশগ্রহণ করা। তবে যে কোন প্রতিষ্ঠানে হুট করে বিনিয়োগ করা কখনোই উচিত নয়। বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বুঝে শুনে বিনিয়োগ করা উচিত যেখান থেকে আপনি মেয়াদ শেষে লাভজনক রিটার্ন হাতে পাবেন। আজকের এই প্রতিবেদনে আপনার জন্য তেমনি একটি বিনিয়োগ ক্ষেত্র সম্পর্কে অবগত করতে এসেছি। আপনার যদি এমন একটি বিনিয়োগ প্ল্যান খুঁজে থাকেন তাহলে প্রতিবেদনটি পড়ে ফেলুন।
আপনি যদি অবসর জীবনের পর একসাথে ১২ কোটি টাকা হাতে পেতে চান, তাহলে সবথেকে ভালো হবে মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করা। কারণ মিউচুয়াল ফান্ডে অনেক সুদ প্রদান করা হয় এবং গ্যারান্টি যুক্ত লাভজনক রিটার্ন হাতে পাওয়া যায়।
সুদের পরিমাণ এবং মেয়াদ : আপনি যদি ১০ বছরের জন্য ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন তাহলে সুদ দেওয়া হবে 12 শতাংশ করে। আপনি ১০ বছর পর হাতে পাবেন ২৭ লাখ ৩৭ হাজার ৬০২ টাকা। মোট ভ্যালু দাঁড়াবে ৪০ লাখ ৩৭ হাজার ৬০২ টাকা।
আরোও পড়ুন : ক্রিকেট টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতিহাস রচনা ইটালির। ফুটবলারদের শেষ ২০ বছরের সাফল্য লাভের খাতায় নাম লেখালো ইতালি ক্রিকেটাররা।
যদি ২০ বছরের জন্য আপনি ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন তাহলে সুদ দেওয়া হবে ১২ শতাংশ। ২০ বছর পর রিটার্ন পাবেন ১ কোটি ১২ লাখ ৪০ হাজার ১৮১ টাকা।
যদি ৩০ বছরের জন্য ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে থাকেন, তাহলে ১২ শতাংশ সুদের হারে মেয়াদ শেষে রিটার্ন ৩ কোটি ৭৬ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকা।
যদি ৪০ বছরের জন্য 12 শতাংশ সুদের হারে তাহলে ১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন, তাহলে মেয়াদ শেষে হাতে পাবেন ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১ টাকা এবং মোট টাকা হাতে পাবেন ১২ কোটি ৯ লাখ ৬৬ হাজার ২৬১
অর্থাৎ আপনি অবসর গ্রহণের পর যদি একটা দিন মোটা টাকা রিটার্ন পেতে চান, তাহলে নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে মিউচুয়াল ফান্ডকে প্রথমে রাখতে পারেন। অনেকেই অবসর জীবনের পর অনেক স্বপ্ন পূরণ করার কথা ভাবে। আর একসাথে এতগুলো টাকা হাতে পাওয়া কোনভাবেই উপায় নেই যদি না আপনি বিনিয়োগ না করেন। বিনিয়োগের মাধ্যমে অতিরিক্ত সুদ আপনি আয় হিসাবে হাতে পাবেন। সেটাই আপনার লাভজনক টাকা।
তবে যে কোন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে এই বিনিয়োগ প্ল্যান গুলিতে বিনিয়োগ করার আগে কোন বিনিয়োগ পরামর্শদাতা সাথে ভালো করে পরামর্শ নিয়ে তবে বিনিয়োগ করবেন। অনেক সময় ভুল জায়গায় বিনিয়োগ করে অনেক টাকা ক্ষতি সম্ভাবনা থাকে তাই আপনি যদি এই বিষয়ে না বুঝে থাকেন তাহলে অবশ্যই বিনিয়োগ পরামর্শদাতার সাথে কথা বলে বিনিয়োগ প্ল্যান করুন।
